Posts

Showing posts from August, 2020

আমার কিছু কথা

Image
যদি অন্যান্য জিনিসের মত বডি নকল করতে পারতাম তাহলে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের শিকার হলে নকল বডিটা সোপর্দ করতাম  

এক ভারতীয়র সাথে কথোপকথন

Image
  কিছুদিন আগে এক ভারতীয়র সাথে কথা হয়েছিলো। গুগল প্লে স্টোরে কিছু অ্যাপ আছে যেখানে ইংরেজিতে কথা বলা প্রাকটিস করার জন্য কল দিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের লোকের সাথে কথা বলা যায়। আমি একটা অ্যাপ ওপেন করে কল দিলাম, পরিচিতি পর্ব শেষে নিজেদের জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, পছন্দ-অপছন্দসহ ইত্যাদি অনেক বিষয়ে ১০-১২ মিনিট কথা বললাম। এরপর জিজ্ঞেস করলাম লাদাখে যে ভারতীয় সেনা মারা গেলো এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কী? সে তার মনের যত আবেগ আর অনুভূতি ছিলো সব ঢালতে শুরু করলো। মৃত সেনাদের জন্য শোক প্রকাশ করলো। চীনারা কতটা হিংস্র ও খারাপ তা তুলে ধরলো। তারা এর প্রতিশোধ নিবে, ইতোমধ্যে সাধারণ জনগণ চীনা পণ্য বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে তা জানালো। এরপর এ ব্যাপারে আমার মন্তব্য কী জানতে চাইলো। আমি তার প্রতি সহমর্মী হয়ে একটু দুঃখ প্রকাশ করলাম। বাংলাদেশেও ভারতীয় অনেক ভক্ত ইতোমধ্যে মানববন্ধন করে চীনাদের নিন্দা জানিয়েছে তাও জানালাম। সর্বশেষ আমি প্রশ্ন করলাম, যুগ যুগ ধরে বিএসএফ যে বাংলাদেশীদের গুলি করে হত্যা করে আসছে এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কী? ভাবছিলাম সে হয়তো দুঃখ প্রকাশ করবে, এরপর আমিও তার মত আমার যত আবেগ আছে তা প্রকাশ করবো। ...

কারা চায় না আয়া সোফিয়া মসজিদ হোক?

Image
কিছু ব্যক্তি আছে সারাবছর গরুর গোশতো নাক ডুবিয়ে খায়, কুরবানীর সময় আসলেই এদের গরুর উপর মায়াকান্না শুরু হয়। ঠিক এই ব্যক্তিরাই এখন আয়া সোফিয়া নিয়ে হা হুতাশ করছে। ৮৫ বছর আগে মসজিদকে কেন যাদুঘর বানানো হয়েছিলো সেটার উপর প্রশ্ন না তুলে গীর্জা কেন মসজিদ হয়েছিলো সে প্রশ্ন তুলছে এরা। অথচ খ্রিস্টানরা যখনই মন চায় গীর্জা বিক্রি করে, এটা তাদের কাছে কোনো ব্যাপার না। আপনি চাইলে এখনো অনেক গীর্জা বিক্রি করার জন্য অ্যাড দিয়ে রেখেছে সেগুলো কিনে মসজিদ-মন্দির যা ইচ্ছা তাই বানাতে পারবেন। আয়া সোফিয়া যেটা মুসলমানদের বিজিত সম্পদ সেটা দখল না করে যে কিনে নিয়েছে সেই উদারতা ওদের চোখে পড়ে না। উল্টো এটাকে মিলানোর চেষ্টা করছে বাবরি মসজিদের সাথে। কই স্বাভাবিক নিয়মে কেনা জায়গায় মসজিদ নির্মাণের প্রমাণ দেখিয়ে পূণরায় মসজিদে রূপান্তর করা আর কই ভিত্তিহীন দাবী তুলে উগ্রবাদী সন্ত্রাসীদের মসজিদ ভাঙ্গা ও দাঙ্গা বাঁধিয়ে মুসলিমদের হত্যা করা! এরা হলো দুনিয়ার সাময়িক সুখের সন্ধান পাওয়া 'বুদ্ধিমান', যাদের পরকালের বিশ্বাসকে ঠুনকো মনে হয়। এরা বিজ্ঞান দিয়ে ধর্ম মাপে অথচ এরা জানে পানিকে ইঞ্চি/মিটার এককে মাপা যায় না। পানিকে পানির এক...

জোকস এখন বাস্তবতা

Image
  পুলিশ: তুমি তো খুনি। বন্দি: কেন স্যার? পুলিশ: কারণ তোমার হাতে পিস্তল আছে। বন্দি: তাহলে তো স্যার আপনি ধর্ষক। পুলিশ: কীভাবে? বন্দি: কারণ আপনার ধর্ষণের যন্ত্র আছে।  🙂 স্বাধীন দেশের প্রথম মৌলিক অধিকার নিরাপত্তা। সেটা নিয়ে আমি শঙ্কিত। মেজর সিনহার অস্ত্র ছিলো তাই তাকে ক্রস ফায়ার করা হয়েছে। সাথে থাকা শিপ্রাকে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দিয়েছে। যাকে যেভাবে পায় পুলিশ চাইলে সেভাবে মামলা দিতে পারে। মেরেও ফেলতে পারে। প্রশাসনের এমন সংস্কৃতি দেখে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন না হয়ে পারছি না। ওসি প্রদিপের নামে অভিযোগ আছে, যাদের টাকা আছে তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানী করার। তাহলে তার হাতে হওয়া সব ক্রসফায়ার যে নিজ বা তার উপরের মহলের স্বার্থ হাসিলের জন্য ছিলো তা কীভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়? আমরা দেখেছি চট্টগ্রামে মাদক মামলায় হয়রানি করার পর যখন একরামুল জামিন পেয়েছেন তার বেশ কিছুদিন পরে গিয়ে তাকে মাদক অভিযানের নামে ক্রসফায়ার নামক অবৈধ থিউরি দিয়ে হত্যা করা হয়। কয়েকদিন আগে মুফতী আমিনীর নাতী আশরাফ মাহাদীকেকে গুম করে ফেলা হয়। দুদিন পরে ফেসবুকে না লেখার শর্তে ছেড়ে দেয়া হয়। এমন খবর জাতীয় দৈনিকে দেখলে নিজেকে...

মডেলিং থিউরি

Image
  যাত্রাবাড়ী থেকে মদনপুর যাবার জন্যে বাসে উঠি। জানালার পাশের একটি সিটে বসে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ একটি ছেলেকে দেখলাম ইয়ারফোন কানে, মাথাটা হেলেদুলে বাসের দিকে এগিয়ে আসছে। দু'হাতের ৪টি করে আঙ্গুল জিন্স প্যান্টের পকেটে ঢুকানো। সোনারগাঁ যাবে কি না তা হেল্পারের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়ে বাসে উঠে আমার পাশের সিটটি ফাঁকা পেয়ে বসে পড়লো। তার ইয়ারফোনের কিছুটা শব্দ বাইরেও শোনা যাচ্ছিলো। আমি একনজর তার দিকে তাকিয়ে আবার জানালার বাইরে নজর দিলাম। দেখছিলাম বাংলাদেশের এই মহামারীতেও মানুষের কত ব্যস্ ততা! জীবিকার তাগিদে কিংবা সাধারণ কাজে, কেউবা শখে বেরিয়েছে। বাইরের দৃশ্য দেখতে দেখতে হঠাৎ আমার পাশে বসা ছেলেটির কথা মনে পড়লো। আচ্ছা, ছেলেটি এমন কেন? সে যেমনই হোক তার ব্যক্তিগত বিষয়, কিন্তু মানুষ এমন কেন? কেউ পাজামা-পাঞ্জাবী পরে, কেউবা শার্ট-প্যান্ট আবার কেউ বোরকা আর কেউবা টপ-জিন্স। আমাদের মাঝে এই পার্থক্য কেন? এসব নিয়ে গুগল করলাম। খুঁজতে গিয়ে একটি তত্ত্ব পেলাম। যেখানে আমার অনেক প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলাম। মডেলিং থিউরি নামে এই তত্ত্বটির প্রবক্তা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক আলবার্ট বান্দুরা। তিন...

কেন কুরবানির পরিবর্তে ত্রাণ দেয়া যাবে না?

Image
  প্রতিবার কুরবানী আসলে কিছু ব্যক্তি আছে কুরবানী না করে বন্যার্তদের ত্রাণ দিলে ভালো হতো, এটা করলে এই হতো ওটা করলে ওই হতো এসব বলে বেড়ায়। এবার এরাই বলছে পশু কুরবানী না দিয়ে টাকাগুলো মহামারীর অসহায়দের দিলে ভালো হতো। তাদের উদ্দেশ্যে আমার আকুতি আপনারা এক মাস পানাহার বন্ধ করে দিন। এতে যে টাকা বাঁঁচবে তা দুস্থদের দিন। এর উত্তরে বলবেন নাওয়া খাওয়া বন্ধ করবো কেন? আমার সামর্থ থাকলে খাওয়া দাওয়া চালিয়েই সাহায্য যতটুকু করার করবো। পানাহার যদি আপনাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয় তাহলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিধান এত ছোট মনে হয় কেন? কুরবানি আপনার বাসায় করতে হবে তা তো না। যারা অসহায় তাদের টাকা দিয়ে দিন তারা আপনার নামে কুরবানী দিয়ে গোশতো খেয়ে নিবে। এমন প্রস্তাব দিলে অবশ্য অনেকেই কুরবানী দিতে চাইবে না। কারণ তখন কুরবানী মানে যে গোশতো খাওয়া বা ফ্রিজ ভর্তি করা(?) সেটা হাসিল হবে না।

বন্যায় কুরবানি

Image
     রা স্তার ধারে একটি গাছের তলে বসে আছে কুড়িগ্রামের মানিক মিয়া। তার চোখ নিবদ্ধ ফুঁসে ওঠা আগ্রাসী ব্রহ্মপুত্রের প্রশস্ত বুকে।      ব্রহ্মপুত্রের সুশীতল বাতাস ও স্রোতের কলকল ধ্বনি এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশের সৃষ্টি করলেও এর কোনো প্রভাব পড়ছে না মানিক মিয়ার অন্তরে। কারণ, এর বুকে যে হারিয়ে গেছে তার ঘর-বাড়ি, অনেক যত্নে গড়া সবজির জমি।      কয়েকমাস আগে ঋণ নিয়ে ঘরগুলো ঠিক করেছিলো, পাশেই ছোট করে গরুর খামার বানিয়েছিলো কিন্তু এতসব যে নদিভাঙ্গনের ফলে হারিয়ে যাবে তা সে কল্পনাও করেনি।      ছোট বড় দুটি গরু ছিলো। ভেবেছিলো এই ঈদে বিক্রি করে ঋণ শোধ করবে কিন্তু পরিস্থিতির শিকার হয়ে তাকে অর্ধেক দামে বিক্রি করতে হয়েছে। এই টাকা দিয়ে ঋণও শোধ হবে না, নতুন ঘরের কাজও হবে না। ত্রাণ না আসুক অন্তত সঠিক দামে গরু দুটি বিক্রি হলে তার অনেক উপকার হতো।      গত ঈদে তার ছেলে সিয়াম ও মেয়ে আয়েশাকে বলেছিলো কুরবানী ঈদে নতুন জামা কিনে দিবে, এ ঈদে পারবে না। স্ত্রীকেও এমন আশ্বাস দিয়েছিলো। এবার ঈদে এসব কিনে দেয়া তো দূরের কথা ঘর তুলবে কি করে, ঋণ চুকাবে কী করে সে...

আপনি মসজিদের ইমাম হয়ে নামাজের নিয়ত জানেন না!

Image
: হুজুর নামাজের নিয়তটা শিখিয়ে দিন তো। : আমি জানি না। : আপনি মসজিদের ইমাম, নামাজের নিয়ত জানেন না? : আরে ভাই, আমি তো মনে মনে নিয়ত(ইচ্ছা) করি, মনে মনে কী ইচ্ছা(নিয়ত) করি তা তো বাংলাতেই পড়ি না আরবি তো দূর কি বাত। [ নিয়ত মানে ইচ্ছা পোষণ করা। এটা মনে মনে ভাবলেই হয়, বাংলা বা আরবিতে পাঠ করার প্রয়োজন নেই ]  

নামাজ না পড়েও মানুষ কেন কুরবানী দেয়?

Image
বা ন্দার মেইন ডিউটি প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়া। কেউ যদি মেইন ডিউটি পালন না করে ওভারটাইম ঠিকঠাক পালন করে তাকে কোম্পানি ওভার টাইমের বেতন কী হিসেবে দিবে তা ভাববার বিষয়। যে নামাজের ব্যাপারে উদাসীন আল্লাহ তা'আলা তার জন্য কঠিন শাস্তির ঘোষণা দিয়েছেন[ সূরা মাউন ]। কঠিন শাস্তির ভয় যার অন্তরে নেই তার অন্তরে তাকওয়া নেই এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়। তাকওয়া নেই মানে কুরবানি কবুল হবে না। কারণ আল্লাহ তা'আলা বলেছেন কুরবানির পশুর গোশতো ও রক্ত কিছুই তাঁর দরবারে পৌঁছে না। পৌঁছে শুধু তাকওয়া।[ সূরা হজ্জ-৩ ৭ ] বেনামাজি কুরবানিদাতা কী মনে করে কুরবানি দেয় তা স্পষ্ট। হয় গোশতো খাওয়ার জন্য অথবা মানুষকে দেখানোর জন্য। আর যত উদ্দেশ্যই থাকুক না কেন এই দুটির একটি থাকবেই। সুতরাং বেনামাজির সাথে শরিক হয়ে কুরবানি দিলে কুরবানি হবে কি না সন্দেহ আছে। কথায় আছে, নামাজ না পড়ে কুরবানী দেয়া মানে পাগড়ির ফজিলত শুনে লুঙ্গি খুলে পাগড়ি পরা । কথাটি বাস্তব, যা পুরোপুরিভাবে দেখা যায় যদি কুরবানির দিন শুক্রবার হয়। গোশতের পিছনে সময় দিতে গিয়ে নামাজের হুঁশ থাকে না অনেকের। আল্লাহ তা'আলা  আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন।

বৈরুত বিস্ফারণ: নিহত বেড়ে ১৫৪

Image
ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধার কাজ চলছে। (gettyimages)   বৈরুত বন্দরের বিস্ফোরণে সর্বশেষ নিহতের সংখ্যা ১৫৪ বলে উল্লেখ করেছেন লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামাদ হাসান। লেবাননের সরকারী সংস্থাকে দেয়া এক বিবৃতে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আহতদের ২০ শতাংশের চিকিৎসা প্রয়োজন। ১২০ জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন রয়েছে। বিস্ফোরণের উড়ন্ত কাঁচ গায়ে এসে পড়ার ফলে তাদের এ অবস্থা হয়েছে। এর আগে দেয়া এক বিবৃতে মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, নিহতের ১৩৫ জন ও আহত প্রায় ৫ সহস্রাধিক। দেশটিতে বিস্ফোরণ নিয়ে তদন্ত চলছে। আটকা পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধার তৎপরতা ও ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজও অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে বিস্ফোরণের দায়ে ১৬জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বিশাল এক বিস্ফোরণ ঘটে। এতে অনেক ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে যায় ও প্রায় ৩ লাখ মানুষ বাড়িছাড়া হয়ে পড়ে। প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী বলা হয় যে গুদামে থাকা বিস্ফোরক দ্রব্যের কারণে বিস্ফোরণ ঘটেছিলো। [ আল-জাজিরা আরবি থেকে অনূদিত  link:  https://rb.gy/jqzc92 ]

তিস্তা ব্যারেজ ভ্রমণ ভিডিও-২

Image

তিস্তা ব্যারেজ ভ্রমণ ভিডিও-১

Image

বন্যায় প্লাবিত নীলাকাশ!

Image
স্থান: সিংরাব, সাদিপুর, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ