নামাজ না পড়েও মানুষ কেন কুরবানী দেয়?

নামাজ না পড়েও মানুষ কেন কুরবানী দেয়?

বান্দার মেইন ডিউটি প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়া। কেউ যদি মেইন ডিউটি পালন না করে ওভারটাইম ঠিকঠাক পালন করে তাকে কোম্পানি ওভার টাইমের বেতন কী হিসেবে দিবে তা ভাববার বিষয়।

যে নামাজের ব্যাপারে উদাসীন আল্লাহ তা'আলা তার জন্য কঠিন শাস্তির ঘোষণা দিয়েছেন[সূরা মাউন]। কঠিন শাস্তির ভয় যার অন্তরে নেই তার অন্তরে তাকওয়া নেই এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

তাকওয়া নেই মানে কুরবানি কবুল হবে না। কারণ আল্লাহ তা'আলা বলেছেন কুরবানির পশুর গোশতো ও রক্ত কিছুই তাঁর দরবারে পৌঁছে না। পৌঁছে শুধু তাকওয়া।[সূরা হজ্জ-৩]

বেনামাজি কুরবানিদাতা কী মনে করে কুরবানি দেয় তা স্পষ্ট। হয় গোশতো খাওয়ার জন্য অথবা মানুষকে দেখানোর জন্য। আর যত উদ্দেশ্যই থাকুক না কেন এই দুটির একটি থাকবেই। সুতরাং বেনামাজির সাথে শরিক হয়ে কুরবানি দিলে কুরবানি হবে কি না সন্দেহ আছে।

কথায় আছে, নামাজ না পড়ে কুরবানী দেয়া মানে পাগড়ির ফজিলত শুনে লুঙ্গি খুলে পাগড়ি পরা। কথাটি বাস্তব,
যা পুরোপুরিভাবে দেখা যায় যদি কুরবানির দিন শুক্রবার হয়। গোশতের পিছনে সময় দিতে গিয়ে নামাজের হুঁশ থাকে না অনেকের।

আল্লাহ তা'আলা আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন।

Comments