কেন কুরবানির পরিবর্তে ত্রাণ দেয়া যাবে না?
প্রতিবার কুরবানী আসলে কিছু ব্যক্তি আছে কুরবানী না করে বন্যার্তদের ত্রাণ দিলে ভালো হতো, এটা করলে এই হতো ওটা করলে ওই হতো এসব বলে বেড়ায়।
এবার এরাই বলছে পশু কুরবানী না দিয়ে টাকাগুলো মহামারীর অসহায়দের দিলে ভালো হতো।
তাদের উদ্দেশ্যে আমার আকুতি আপনারা এক মাস পানাহার বন্ধ করে দিন। এতে যে টাকা বাঁঁচবে তা দুস্থদের দিন।
এর উত্তরে বলবেন নাওয়া খাওয়া বন্ধ করবো কেন? আমার সামর্থ থাকলে খাওয়া দাওয়া চালিয়েই সাহায্য যতটুকু করার করবো।
পানাহার যদি আপনাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয় তাহলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিধান এত ছোট মনে হয় কেন?
কুরবানি আপনার বাসায় করতে হবে তা তো না। যারা অসহায় তাদের টাকা দিয়ে দিন তারা আপনার নামে কুরবানী দিয়ে গোশতো খেয়ে নিবে।
এমন প্রস্তাব দিলে অবশ্য অনেকেই কুরবানী দিতে চাইবে না। কারণ তখন কুরবানী মানে যে গোশতো খাওয়া বা ফ্রিজ ভর্তি করা(?) সেটা হাসিল হবে না।

Comments
Post a Comment