ধর্ষণবিরোধী প্রচার কি ব্যভিচার ছড়াচ্ছে?
ধর্ষণ বলা হয় সম্মতি ছাড়া শারীরিক সম্পর্ককে আর ব্যভিচার বা যিনা বলা হয় বিয়ে ছাড়া শারীরিক সম্পর্ককে। এর মানে হলো, পরস্পর সম্মতি থাকলে বৈবাহিক সম্পর্ক ছাড়াও শারীরিক সম্পর্ক করার বৈধতা আছে আবার পরস্পর সম্মতি না থাকলে বৈবাহিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও তা করার বৈধতা নেই বরং তাকে ধর্ষণ বলা হবে। আমাদের দেশের সংবিধান ও পশ্চিমা বা ইউরোপীয় দেশগুলোর নিয়মকানুনে তাই বলে। তাই তো বিবিসি বাংলাসহ বামপন্থী বা মধ্য বামপন্থী, নাস্তিক বা ছুপা নাস্তিকদের গণমাধ্যগুলো প্রচার করে আসছে যে, কেউ প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তার শরীর পরিচালনা করবে তার নিজের ইচ্ছায়। এখানে কোন ব্যক্তি বা ধর্ম জোর খাটাতে পারে না। যে কেউ যে কোন সময় যে কারো সাথে মিলন করতে পারে। আবার স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া স্বামীর শারীরিক সম্পর্ককে ধর্ষণ বলা হবে, দু'জনের সম্মতি না থাকলে তা ধর্ষণ বলে বিবেচিত হবে। অপরদিকে সামজিক সম্মতি তথা বৈবাহিক সম্পর্ক না থাকলে পরস্পর সম্মতি থাকা সত্ত্বেও তা ব্যভিচার বা যিনা বলে গণ্য হবে আর যদি বৈবাহিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও পরস্পর সম্মতি না থাকে তাহলে তা ব্যভিচার বা যিনা বলে বিবেচিত হবে না বরং এক্ষেত্রে যদি শারীরিক কষ্ট হয় তাহলে...